শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

নারী ইউএনও পাম্পে থাপ্পড় মারলেন মোটরসাইকেল আরোহীকে

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৪ বার

ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে অমিল পেয়ে বাইকার যুবককে চপেটাঘাত করলেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান। এমন ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

গতকাল বুধবার বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের লাবনা ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, স্থানীয় চাপারহাট বাজারের প্রদীপ কুমারের মোটর সাইকেল গ্যারেজে কাজ করতেন যুবক নদী। পাশেই লুবানা ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আশা বাইকারদের দীর্ঘ ভিড়। লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে না অক্ষম চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলপ চন্দ্র। অবশেষে তিনি তার ভাগ্নী জামাই গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চাইলে গ্যারেজ মালিক ওই বাইকের ফুয়েল কার্ডসহ ৩০০ টাকার তেল নিতে লাইনে পাঠান গ্যারেজ কর্মচারী নদীকে। সেখানে লাইনে দাড়িয়ে থাকা যুবক নদীর হাতের ফুয়েল কার্ডটি নেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান। এসময় ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে বাইকার যুবকের ছবির মিল না থাকায় কোনও কিছু জিজ্ঞাসা না করেই যুবককে কয়েকটি চপেটাঘাত করেন ইউএনও। এসময় ইউএনও’র নির্দেশে ওই যুবককে আটক করে পুলিশ ভ্যানে তোলেন দায়িত্বরত পুলিশ।

কিছুক্ষণ পরে স্থানীয়দের তোপের মুখে ঘটনা শুনতে বসেন ইউএনও। তখন অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের গাড়ি ও তার ফুয়েল কার্ড প্রমাণিত হলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।নারী ইউএনও’র চপেটাঘাতের এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নিন্দার ঝড় ওঠে।

আঘাতপ্রাপ্ত যুবক নদী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি গ্যারেজ মেকানিক। গ্যারেজ মালিকের আত্মীয় অসুস্থ কলেজ শিক্ষক আমাকে টাকা ও ফুয়েল কার্ড দিয়ে তেল নিতে বলেন। মালিকের নির্দেশে কলেজ শিক্ষকের গাড়ি ও কার্ড নিয়ে লাইনে দাঁড়াই। ইউএনও কার্ড চাইলে আমি কার্ড দেই। কার্ড দেখে আমাকে কিছু না বলেই তিনি কয়েকটি থাপ্পার দিয়ে গাড়িতে তুলেন। পরে আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি কোনও অন্যায় করিনি। বিনা অপরাধে আমাকে আঘাত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম। তার গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার ফুয়েল কার্ড ছিল না। কার্ড ছাড়া লাইনে দাড়ানোর কারণে চাবি নিয়েছি। পরে চাবি অফিসে এসে নিতে বলেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি দেওয়া হয়েছে।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ