শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

বাংলাদেশের কাছেও ৭ গোল খেয়েছিল ব্রাজিল!

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ৫৮ বার

ফুটবলের ইতিহাসে ব্রাজিল নামটি শক্তি, দক্ষতা ও আধিপত্যের প্রতীক। কিন্তু একসময় সেই ব্রাজিলেরই অনূর্ধ্ব–১৪ দলকে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারানোর কৃতিত্ব দেখিয়েছিল বাংলাদেশের একদল কিশোর ফুটবলার।

১৯৯০ সালের সেই ম্যাচ আজও ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিস্ময়, গর্ব ও বিতর্কের এক অনন্য অধ্যায় হয়ে আছে।

সেই সময়টায় ইউরোপের দুটি মর্যাদাপূর্ণ যুব টুর্নামেন্ট—ডেনমার্কের ডানা কাপ এবং সুইডেনের গথিয়া কাপ ছিল বিশ্বের তরুণ ফুটবলারদের প্রতিভা দেখানোর অন্যতম বড় মঞ্চ। এই আসরেই ‘বাংলা একাদশ’ নামে অংশ নেয় বাংলাদেশের একটি অনূর্ধ্ব–১৪ দল, যারা মূলত ভবিষ্যৎ প্রতিভা অন্বেষণের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিতে সেখানে গিয়েছিল।

টুর্নামেন্টের এক পর্যায়ে এই দলটির মুখোমুখি হয় ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব–১৪ দল, যারা ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি পরে মাঠে নামে। সাধারণভাবে এই ম্যাচে ব্রাজিলকে এগিয়ে রাখাই স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু ম্যাচের বাস্তব চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

খেলার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বাংলাদেশ দল, আর একের পর এক গোলের মাধ্যমে ম্যাচটি রূপ নেয় একতরফা শো-তে। শেষ পর্যন্ত স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৭–০, যা ফুটবল ইতিহাসে এক চমকপ্রদ ও অবিশ্বাস্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।

এই ম্যাচসহ পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে বাংলাদেশের কিশোররা দারুণ পারফরম্যান্স দেখায়। তৎকালীন কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, শুধু ব্রাজিল নয়, আরও কয়েকটি শক্তিশালী ইউরোপীয় দলের বিপক্ষেও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল তারা। যদিও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় এই ঘটনার অনেক তথ্য এখনো পুরোপুরি যাচাইযোগ্য নয়, তবে গল্পটি বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক রোমাঞ্চকর অধ্যায় হিসেবে থেকে গেছে।

ফুটবলবিশ্বে যেখানে বাংলাদেশের নাম সাধারণত বড় পরিসরে আলোচনায় কম আসে, সেখানে এমন একটি দাবিকৃত জয় আজও সমর্থকদের মধ্যে গর্ব ও বিস্ময়ের অনুভূতি জাগায়। সত্যতা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এই কাহিনী প্রমাণ করে, ফুটবলে সম্ভাবনার সীমা কখনোই আগেভাগে নির্ধারণ করা যায় না—মাঠের ৯০ মিনিটেই লেখা হয় ইতিহাসের নতুন গল্প।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ