আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে মুদি দোকান, বিউটি পার্লারসহ ১৬টি ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটভিত্তিক সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। আজ বুধবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
নতুন প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে কি না–সেলিনা সুলতানার এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জি। নতুন করে যে ১৬টি ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— মুদি দোকান, তৈরি পোশাক ও কাপড়ের বিক্রেতা, কনফেকশনারি, কসমেটিকসের দোকান, প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্যের বিক্রেতা, জুতার দোকান এবং হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা।
এ ছাড়া ডেকোরেটরস প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার (এসি), ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্যের বিক্রেতা, পেইন্ট, স্যানিটারি ও ফিটিংসের ব্যবসা, টাইলসের দোকান, ঢেউটিনের দোকান, রড ও সিমেন্টের ব্যবসা, ফার্নিচার বিক্রেতা, বিউটি পার্লার এবং মিষ্টান্ন ভাণ্ডার ও রেস্তোরাঁকেও এ করের আওতায় আনা হবে।’
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকেই এসব খাতে সুনির্দিষ্ট কর কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। করের আওতা সম্প্রসারণ এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
সংসদে বিগত অর্থবছরের ভ্যাট আদায়ের চিত্র তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) বাবদ মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।’