শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫০ বার

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো এক চিঠিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ অভিনন্দন জানান।

চিঠিতে আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক এই বিজয়ে শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব পারস্পরিক সম্মান এবং একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তিশালী ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার যৌথ স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

এছাড়া পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষক ও শ্রমিকদের উপকারে আসবে—এমন প্রত্যাশার কথাও চিটিতে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি, নিয়মিত প্রতিরক্ষা চুক্তিসমূহ সম্পন্ন করে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর জন্য উচ্চমানের আমেরিকান সরঞ্জামে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

চিঠির শেষাংশে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের প্রতি পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলেও জানানো হয়।

এর আগে, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকাস্থ দূতাবাস ও রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন সরাসরি অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়: “বাংলাদেশের জনগণকে সফল নির্বাচনের জন্য অভিনন্দন। বিএনপি ও তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা। যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ।”

এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফসহ বিশ্বের অনেক নেতা অভিনন্দন জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিনন্দন বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শপথের পর প্রথম ভাষণে জাতীয় ঐক্য, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, দুর্নীতি দমন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই উষ্ণ সম্পর্ক বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ