শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শুধু খেলাধুলা নয়, সবকিছুতে পারদর্শী হতে হবে: শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী গৌরনদীতে ৩ বছরের শিশুকে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর প্রলোভনে ধর্ষণ, বৃদ্ধ পলাতক প্রতিবেশী দেশে হামলার হুমকি জেলেনস্কির, এক সপ্তাহের আলটিমেটাম ফেনীতে ‘মেঘনা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়িয়েছে মাটি-বালুখেকোদের ‘শেল্টার’ দেন জামায়াত এমপির পিএস, অডিও ফাঁস দুপুরের আগেই ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরেও সতর্কতা হজ পালন শেষে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ বাংলাদেশি পরিত্যাক্ত সেপটিক ট্যাংকের বিষাক্ত গ্যাসে ৪ জনের মৃত্যু সরকার তিন বৃহৎ শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক চায়

কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪৪ বার

নতুন সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো। তবে এই সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি কে হবেন বা কবে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন মোঃ সাহাবুদ্দিন। গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবি ওঠে ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে। তবে এ নিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছিল বিএনপি। শেষ পর্যন্ত তার কাছেই তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচিত সরকার শপথ গ্রহণ করেছে।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন দায়িত্ব আসেন। তার মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। ফলে ওই পদে থাকা অবস্থায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করার আইনগত সুযোগ নেই।

তবে তিন কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সংবিধান বিশ্লেষক জাহেদ ইকবাল বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক কারণ কিংবা গুরুতর কোনো অসদাচরণজনিত কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হতে পারে।’

মেয়াদ শেষ, পদত্যাগ কিংবা অভিসংশনজনিত কারণে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হলে এই নির্বাচনের আয়োজন করে থাকে নির্বাচন কমিশন।

নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি ‘নির্বাচনী কর্তা’ হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনা করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হলে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

তবে পদে থাকা নিয়ে গত ডিসেম্বর মাসে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর তিনি সরে যেতে চান। কারণ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিনি ‘অপমাণিত বোধ করছেন’।

সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি সরে যেতে চাই, আমি সরে যেতে আগ্রহী। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাওয়া উচিত। সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।’

বিশ্লেষকদের অনেকে ধারণা করছেন, সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেওয়া বিএনপি সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসবে। নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন তা নিয়ে নানা আলোচনাও চলছে।

মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। এরপরই নতুন সংসদে নতুন স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগপত্র জমা দেন তাহলে অভিশংসনের প্রয়োজন হবে না। তবে রাষ্ট্রপতি আগেই সরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করায় এক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হবে না বলেই বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ