শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘আগামী দুই মাসে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট হবে না’ জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে-সংসদে জামায়াত আমির শেরপুর-৩ আসন : অনিয়মের অভিযোগে ভোট বর্জন করলেন জামায়াতের প্রার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দর থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাতিজা গ্রেপ্তার টাইব্রেকারে জিতে এশিয়ান গেমস নিশ্চিত করল বাংলাদেশ খুলনা মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড শিগগিরই এসি বাস ও মিনিবাসের ভাড়ার তালিকা প্রণয়ন : সড়কমন্ত্রী আবু সাঈদ হত্যা : বেরোবির দুই শিক্ষককে ১০ বছরের কারাদণ্ড

নির্বাচনী প্রচারণায় রাত ৮টার পর মাইক ব্যবহার করা যাবে না: ইসি

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৫ বার

নির্বাচনী জনসভায় রাত ৮টার পর মাইক ও লাউডস্পিকার  ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের পরে লাউডস্পিকার ব্যবহার করা হলে তা নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে বলেও সতর্ক করেছে কমিশন।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি ২০২৫ অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণায় লাউডস্পিকার ব্যবহারের সময় ও শব্দের মাত্রা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তাদের মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি প্রচারণার সময় কোনো নির্বাচনী এলাকায় মাইক বা শব্দমাত্রা বর্ধনকারী যন্ত্র দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে ব্যবহার করতে পারবেন।

আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রতি সমাবেশে লাউডস্পিকার ব্যবহারের সর্বোচ্চ সংখ্যা তিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সাধারণ প্রচারণায় ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকারের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে না। শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। ব্যবহার সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকেও আর্থিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

প্রার্থী হিসেবেও ঘোষিত ব্যক্তিকে আলাদা অঙ্গীকারনামা দিতে হয়েছে। সেখানে তিনি ও তার নির্বাচনী সহযোগীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এতে প্রার্থী ও দুইজন সাক্ষীর স্বাক্ষর রয়েছে।

আচরণবিধি ভাঙলে ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। দলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা যেতে পারে। বিধান লঙ্ঘনে আরপিও অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থাও রয়েছে।

নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন তুলি বলেন, ‘রাত ৮টার পর জনসভায় মাইক ব্যবহার করা স্পষ্ট আইনভঙ্গ। এটি নির্বাচন কমিশনের আইনে উল্লেখ রয়েছে। আচরণবিধি ভঙ্গ হলে কী করা হবে, সেটিও সেখানে বলা আছে। যেহেতু নির্বাচন কমিশন আইন বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ, তাই বিষয়টি তারা দেখবে।’

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ