২০২৬ বিশ্বকাপে চোখধাঁধানো গোল, অবিশ্বাস্য অঘটন আর রোমাঞ্চকর ম্যাচের অভাব ছিল না। তবে পুরো আসরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যক্তিগত লড়াই হয়ে উঠেছে লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পের সেরা গোলদাতার পুরস্কারের প্রতিযোগিতা।
আবারো মেসি জাদু। আবারো খাদের কিনারা থেকে বেচে উঠে জয় আর্জেন্টিনার। আটলান্টায় ৫৫ মিনিটে পিছিয়ে পড়া আলবিসেলেস্তেরা মেসির দুই অ্যাসিস্টে, ১০ মিনিটে এনজো ও লাউতারে মার্তিনেজদের জোড়া গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে।
বিশ্বকাপে প্রথম বার র্যাঙ্কিংয়ের উপরের দিকে থাকা একটি দলের বিরুদ্ধে লড়তে নামবেন আর্জেন্টিনা। তাই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুধু লড়াকু ফুটবল খেললেই হবে না বলে মনে করছেন কোচ লিয়োনেল স্কালোনি। তার মতে,
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ফুটবল ইতিহাসের পাতায় জমে থাকা এক মহারণ আবারও ফিরে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার সবুজ গালিচায় এবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড দুই ফুটবল পরাশক্তি,
তৃতীয়বারের চেষ্টাতেও স্পেনের বাধা পেরোতে পারল না ফ্রান্স। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আরলিংটনে অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে স্পেন। এর মাধ্যমে ইউরোপের
১৯৬২ সালের পর প্রথম দেশ হিসেবে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর আর্জেন্টিনা। আর এই স্বপ্নের কেন্দ্রে যথারীতি আছেন ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসি। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে আটটি গোল এবং
আর মাত্র একটি ম্যাচ। তাতেই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন অধ্যায় লিখবেন এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামতে পারলেই ৪৪ বছর ধরে অক্ষত থাকা একটি রেকর্ড নিজের নামে লিখিয়ে নেবেন
বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা লিওনেল মেসির সামনে এবার আরেকটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামলেই কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনার ৩৯ বছর ধরে অক্ষত থাকা একটি বিশ্বকাপ রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার সুযোগ
বিশ্বকাপের উত্তাপ এখন চরমে। দীর্ঘ এক মাসের লড়াই, অঘটন আর রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের পর শেষ পর্যন্ত সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফুটবলবিশ্বের চার পরাশক্তি-আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ড। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেও দেশের ফুটবল দলকে বীরের মর্যাদায় বরণ করে নিয়েছে নরওয়ে। রাজধানী অসলোর রাস্তায় নেমে লক্ষাধিক সমর্থক ফুটবলারদের অভিনন্দন জানান। হতাশার বিদায়কে তারা রূপ দেন জাতীয়