রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০৫:২৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
স্বেচ্ছাসেবক লীগের র‌্যালি থেকে ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চরম তাপপ্রবাহ আসন্ন বিপদের ইঙ্গিত দ্বিতীয় ধাপে কোটিপতি প্রার্থী বেড়েছে ৩ গুণ, ঋণগ্রস্ত এক-চতুর্থাংশ: টিআইবি সাড়ে ৪ কোটি টাকার স্বর্ণসহ গ্রেপ্তার শহীদ ২ দিনের রিমান্ডে ‘গ্লোবাল ডিসরাপ্টর্স’ তালিকায় দীপিকা, স্ত্রীর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রণবীর খরচ বাঁচাতে গিয়ে দেশের ক্ষতি করবেন না: প্রধানমন্ত্রী জেরুসালেম-রিয়াদের মধ্যে স্বাভাবিককরণ চুক্তির মধ্যস্থতায় সৌদি বাইডেনের সহযোগী ‘ইসরাইলকে ফিলিস্তিন থেকে বের করে দাও’ এসএমই মেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরান ২ সপ্তাহের মধ্যে পরমাণু অস্ত্র বানাতে পারবে!
ডাক্তারের ঘুমে ভাণ্ডারিয়ায় প্রাণ গেল ৩ সন্তানের জননীর

ডাক্তারের ঘুমে ভাণ্ডারিয়ায় প্রাণ গেল ৩ সন্তানের জননীর

স্বদেশ ডেস্ক: পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসকের অবহেলায় নার্গিস আক্তার (৪৫) নামের এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকালে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নিহত নার্গিস আক্তার পার্শ্ববর্তী ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার হালদারখালী গ্রামের শাহ আলম মীরের স্ত্রী। তিনি তিন সন্তানের জননী ছিলেন।

হাসপাতাল ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে নার্গিস আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়েন। বেলা ১১টার সময় নার্গিস আক্তারকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রোববার ভোর পাঁচটার দিকে নার্গিস আক্তারের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এসময় তার স্বজনেরা কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলাল হোসেনকে ডাকতে অনুরোধ করেন উপস্থিত নার্সদের। নার্সরা জানান- সকাল ১০টার আগে চিকিৎসক বেলাল হোসেন হাসপাতালে আসবেন না।

পরে ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে রোগীর আত্মীয় মোর্শেদা আক্তার চিকিৎসক বেলাল হোসেনকে মোবাইল ফোনে ফোন দেন। কয়েক বার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন ধরেননি। একপর্যায়ে সকাল সোয়া সাতটার দিকে নার্গিস আক্তার মারা যান। মারা যাওয়ার পর চিকিৎসক বেলাল হোসেন হাসপাতালে আসেন।

নার্গিস আক্তারের আত্মীয় মোর্শেদা আক্তার বলেন, নার্গিস আক্তার জ্বর নিয়ে ভর্তি হলেও চিকিৎসক তার ডেঙ্গু হয়েছে কি না সে জন্য কোন পরীক্ষা করাননি। ভোর পাঁচটার দিকে রোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসককে বার বার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি। চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলায় নার্গিস আক্তারের মৃত্যু হয়েছে।

অভিযুক্ত কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলাল হোসেন বলেন, আমি রাতে বাসায় থাকি। ফোন করা হলে হাসপাতালে গিয়ে রোগী দেখি। আমাকে হাসপাতাল থেকে সকাল সাতটা আট মিনিটে ফোন দেয়া হয়েছিলো। এরপর আমি হাসপাতালে গিয়ে রোগীকে মৃত ঘোষণা করি। রোগীর স্বজনেরা বা নার্স ভোরে আমাকে ফোন দেননি। রোগী শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে ভর্তি হওয়ায় তার ডেঙ্গু আছে কি না তা পরীক্ষা করা হয়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এইচ এম জহিরুল ইসলাম বলেন, নিহত নার্গিস আক্তারের স্বজনেরা আমার কাছে অভিযোগ করেছেন। আমি বিষয়টি তদন্ত করে দেখব।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

© All rights reserved © 2019 shawdeshnews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themebashawdesh4547877