ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। এটিকে চলমান সংঘাতের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে তীব্র হামলাগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে।
এদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় আকাশসীমা বন্ধ করার পর সংযুক্ত আরব আমিরাত আবারও তা খুলে দিয়েছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিস্থিতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ইরান ইস্যুতে বড় ধরনের যুদ্ধে জড়াতে না চাওয়ায় তিনি যুক্তরাজ্যের অবস্থানে সন্তুষ্ট নন।
তিনি আবারও হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যাটোসহ অন্যান্য দেশের সহযোগিতা চান। তবে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেছেন, এই যুদ্ধ ন্যাটোর বিষয় নয়।
ন্যাটো জানিয়েছে, তাদের মিত্ররা ইতোমধ্যে ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদারে পদক্ষেপ নিয়েছে।
এদিকে যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালির নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছেন, লেবাননে বড় ধরনের ইসরায়েলি স্থল অভিযান শুরু হলে তা ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
অন্যদিকে ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরান, শিরাজ ও তাবরিজ শহরে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। সূত্র : বিবিসি