বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন

সরকার খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে

সরকার খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে

স্বদেশ ডেস্ক: সংসদে সংরিক্ষত মহিলা আসনের সদস্য বিএপির ব্যরিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বর্তমান শাসক গোষ্ঠি তাদের ক্ষমতা প্রলম্বিত করার লক্ষ্যে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে একমাত্র বাঁধা বলে করে। তাই মিথ্যা ষড়যন্ত্রমুলক মামলায় তাকে কারাগারে আটকে রখে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অথচ মামলার মেরিট, তার বয়স, শারীরিক অবস্থা, সামাজিক অবস্থান, জেন্ডার- যে কোন বিবেচনায় বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী জামিন তার অধিকার। তিনি যাতে সহজেই মুক্তি না পান তাই একটির পর একটি মামলা, নতুন নতুন মামলা, মিথ্যা মামলা তার সামনে আনা হচ্ছে।

সোমবার সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১বিধিতে জাতয়ি জরুরি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে আনিহ অগৃহিত নোটিশের ওপর দুই মিনিটের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন। এ সময় বৈঠকে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করছিলেন।

তিনি বলেন, ১/১১ সরকারের সময়ে মামলা হয়েছে দুই বৃহৎ রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। কিন্তু পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে কমিটি করে তাদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো তুলে নিয়েছে। একদিকে পুরানো মামলায় বিএনপি’র ২৬ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে নতুন করে যুক্ত হয়েছে এক লাখ মামলা নতুন করে মামলার নামে এক অদ্ভুত মামলা শুরু হয়েছে ।

নির্বাচনের আগে আগে মৃত ব্যক্তি, বিদেশে থাকা ব্যক্তি, ঘটনা ঘটার আগেই মামলা- এই ধরনের অদ্ভুত সব মামলা করা হয়েছে গায়েবী মামলার অধীনে। আইনের শাসন আর বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেছেন, দেশে আইনের শাসন নেই। সরকার নিম্ন আদালতকে কব্জা করে এখন হাত বাড়িয়েছে উচ্চ আদালতের দিকে। ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের কারণে তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। সেই রায় তিনি বলেছিলেন, ডুবন্ত বিচার বিভাগ কোন রকমের নাক উঁচু করে টিকে আছে ।

তিনি আরো বলেন, তারেক রহমানকে যে বিচারক নিম্ন আদালতে খালাস দিয়েছিলেন তাকে পরে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। সংবিধানের ১১৫ এবং ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিচার বিভাগ এখনো কার্যত সরকারের অধীনেই রয়ে গেছে। সেপারেশন অব পাওয়ারর অনেকটা সোনার পাথর বাটির মতো। বিচারবিভাগ যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে তাহলে তো রাষ্ট্রের জন্য সমূহ বিপদ তৈরি করবে। এসময় নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি নোটিশের বাকী অংশ পড়তে পারেনি।

এ দিকে ৭১ বিধির নোটিশের ওপর আলোচনার পর পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে জাসদের মঈন উদ্দিন খান বাদল রুমিন ফারহানার নোটিশের বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ৭১ বিধিতে এই ধরণের বিষয় নিয়ে নোটিশের ওপর আলোচনার সুযোগ দেয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে স্পিকারে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশের আলোচনার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এই ধরণের বিষয় কিভাবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়। তবে এ ব্যাপারে স্পিকার কোন জবাব না দিয়েই পরবর্তী কর্মসূচীতে চলে যান।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

© All rights reserved © 2019 shawdeshnews.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com
themebashawdesh4547877