শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন

দুর্নীতির মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড

স্বদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৯ বার

‎অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানিল্ডারিংয়ের আইনের মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

‎আজ বুধবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

‎‎রায়ে ২০ বছরের কারাদণ্ডের মধ্যে একটি ধারায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের জন্য তার ১০ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড। অপর মানিলন্ডারিংয়ে জন্য তার ১০ বছরের কারাদণ্ড, ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাস আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ে অর্জিত অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

‎‎দুই ধারার সাজা একটির পর একটি চলবে। তাই তাকে ২০ বছরের কারাভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করেছের বিচারক।

‎সম্রাট পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

‎‎২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর মামলাটি করেন দুদকের উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। দুদকের এ কর্মকর্তাই মামলাটি তদন্ত করেন। ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

‎‎২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে সম্রাট আত্মগোপন করেন।

‎‎এরপর ৭ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সেদিন বিকেলে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে কাকরাইলের ভূইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অভিযান শেষে গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ১১৬০টি ইয়াবা, ১৯ বোতল বিদেশি মদ, দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া এবং ‘নির্যাতন করার’ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পাওয়ার কথা জানানো হয় র‌্যাবের পক্ষ থেকে।

‎‎ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ার কারণে সম্রাটকে তাৎক্ষণিকভাবে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া ঢাকার রমনা থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা করা হয়।

‎‎পরে ২০২২ সালের ১০ এপ্রিল থেকে ১১ মে’র মধ্যে চার মামলায় জামিন পান সম্রাট। কারাগারে যাওয়ার ৩১ মাস পর তার মুক্তি মেলে।

‎‎রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত বছরের ১৭ জুলাই সম্রাটের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

‎‎গত ২ ফেব্রুয়ারি মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। অভিযোগপত্রভূক্ত ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনেরই সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ