সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সারাদেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে ৬৪ দলে সম্প্রসারণের ভাবনায় ফিফা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শীর্ষে ঢাকা, সবচেয়ে কম বান্দরবানে সরকারের মোট ঋণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী টেকনাফ সীমান্তে বন্যার্ত ২০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ সহায়তা খাদ্য সহায়তা পাচ্ছে বান্দরবানে বন্যাকবলিত ১৫ হাজার পরিবার ঢাকা সিটির বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক বললেন মাহ্দী আমিন, শিক্ষাক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের চিন্তা ও কর্মযজ্ঞেরই প্রতিফলন চারটি নতুন বই কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যু জনসংখ্যাকে উৎপাদনশীল মানবসম্পদে রূপান্তরের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

গঙ্গাচুক্তির নবায়ন : প্রয়োজন দূরদর্শী কূটনৈতিক উদ্যোগ

চিররঞ্জন সরকার
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
  • ৫ বার

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘদিন টানাপড়েনের পর দুই দেশের মধ্যে আবারও ভিসা কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। অমীমাংসিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়ও আলোচনার টেবিলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর একটি হলো গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির ভবিষ্যৎ। কারণ আগামী ডিসেম্বরেই শেষ হচ্ছে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ৩০ বছরের গঙ্গাচুক্তির মেয়াদ।

এই চুক্তি নবায়নের প্রশ্নকে কেবল পানির ভাগাভাগির আলোচনায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। গত তিন দশকে জলবায়ু, নদীর প্রবাহ, জনসংখ্যা, কৃষি, শিল্পায়ন এবং পরিবেশগত বাস্তবতা এতটাই বদলে গেছে যে, এখন গঙ্গাকে একটি জীবন্ত নদীব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

১৯৯৬ সালের গঙ্গাচুক্তি নিঃসন্দেহে দুই দেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ১৯৭৫ সালে ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজ চালুর পর শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের দিকে গঙ্গার প্রবাহ কমে যাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলেছিল। এর প্রভাব পড়েছিল দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে। কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়, নদীর নাব্যতা কমে, লবণাক্ততা বাড়ে, মৎস্যসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়ে।

এই অচলাবস্থার অবসান ঘটিয়ে ১৯৯৬ সালের চুক্তি দুই দেশের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করেছিল। যদিও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের অনেক বিশেষজ্ঞ অভিযোগ করেছেন, শুষ্ক মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যাশিত পানি সব সময় পাওয়া যায়নি। আবার ভারতেরও নিজস্ব বাস্তবতা রয়েছে। দেশটির কৃষি সম্প্রসারণ, শিল্পায়ন, নগরায়ণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে পানির চাহিদা আগের তুলনায় বহুগুণ বেড়েছে। ফলে উজানের পানির ওপর চাপও বেড়েছে।

কিন্তু আজকের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে। ১৯৯৬ সালে যে তথ্য ও বাস্তবতার ভিত্তিতে চুক্তি করা হয়েছিল, আজকের গঙ্গা অববাহিকা আর সেই অবস্থায় নেই। বর্ষাকালে স্বল্প সময়ে অতিবৃষ্টি হচ্ছে, আবার শুষ্ক মৌসুম দীর্ঘ হচ্ছে। ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। আগে যেসব মৌসুমি ধারা মোটামুটি নির্ভরযোগ্য ছিল, এখন সেগুলোও বদলে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ এই পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভব করছে। বর্ষায় আকস্মিক বন্যা ও নদীভাঙন বাড়ছে, অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর ও আশপাশের অঞ্চলে লবণাক্ততা আরও বিস্তার লাভ করছে। এর ফলে শুধু কৃষিই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না; নিরাপদ পানীয় জলের সংকটও বাড়ছে। মিঠাপানির মাছ কমে যাচ্ছে, জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে এবং সুন্দরবনের মতো বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ বনও ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হিমালয়ের পরিবর্তিত বাস্তবতা। গঙ্গার প্রবাহের একটি বড় অংশ নির্ভর করে হিমবাহ ও তুষারগলার পানির ওপর। কিন্তু বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে সেই প্রাকৃতিক প্রবাহও এখন অনিশ্চিত। অর্থাৎ আগামী কয়েক দশকে নদীর চরিত্র আরও বদলে যেতে পারে। ফলে ৩০ বছর আগের স্থির তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতের পানিবণ্টন নির্ধারণ করা বাস্তবসম্মত হবে না।

শুধু পানির পরিমাণ নয়, এখন সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে পানির মান। গঙ্গা অববাহিকার বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল, নগর এলাকা এবং কৃষিজমি থেকে প্রতিনিয়ত নদীতে রাসায়নিক বর্জ্য, শিল্পবর্জ্য, সার ও কীটনাশক মিশছে। শুষ্ক মৌসুমে নদীতে পানি কমে গেলে দূষণের ঘনত্ব আরও বেড়ে যায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণও নতুন উদ্বেগ হিসেবে দেখা দিয়েছে। নদীর এই দূষণ শেষ পর্যন্ত মানুষের স্বাস্থ্য, মাছের প্রজনন, কৃষি এবং সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণেই নতুন গঙ্গাচুক্তিকে শুধু একটি পানিবণ্টন চুক্তি হিসেবে দেখা যথেষ্ট হবে না। এটিকে হতে হবে একটি সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা চুক্তি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এখন আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনায় এই ধারণাই গুরুত্ব পাচ্ছে। নদীকে শুধু পানির উৎস নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ পরিবেশব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের অভিজ্ঞতা আমাদের সেই শিক্ষা দেয়। ইউরোপের রাইন নদী একসময় শিল্পদূষণের কারণে কার্যত মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যৌথ কমিশন গঠন করে তথ্য বিনিময়, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং নদী পুনরুদ্ধারে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ফলে আজ সেই নদী অনেকটাই পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। একইভাবে দানিয়ুব নদী অববাহিকায় একাধিক দেশ যৌথভাবে বন্যা ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পানির মান পর্যবেক্ষণ করছে। এসব উদাহরণ প্রমাণ করে, আন্তঃসীমান্ত নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ ও ভারতের নতুন গঙ্গাচুক্তিতেও এই বাস্তবতা প্রতিফলিত হওয়া উচিত। প্রথমত, সর্বশেষ জলপ্রবাহের তথ্য, স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক পূর্বাভাস এবং আধুনিক পর্যবেক্ষণব্যবস্থা ব্যবহার করে পানিবণ্টনের নতুন কাঠামো তৈরি করতে হবে। নদীর প্রবাহ যদি বছরভেদে পরিবর্তিত হয়, তাহলে চুক্তির কাঠামোও সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, বন্যা ও খরা মোকাবিলায় যৌথ কর্মপরিকল্পনা থাকা জরুরি। আগাম তথ্য বিনিময়, সমন্বিত বন্যা পূর্বাভাস, পলি ব্যবস্থাপনা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় দুই দেশের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে। তৃতীয়ত, ভূগর্ভস্থ পানিকেও আলোচনার বাইরে রাখা যাবে না। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন এবং লবণাক্ততার বিস্তার ভবিষ্যতে নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। তাই ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার ও পুনর্ভরণ নিয়েও যৌথ গবেষণা ও নীতিমালা প্রয়োজন।

দূষণ নিয়ন্ত্রণেও সমন্বিত পদক্ষেপ অপরিহার্য। নদীর পানির মান নির্ধারণে অভিন্ন মানদণ্ড, নিয়মিত তথ্য প্রকাশ, শিল্পবর্জ্য শোধনাগারের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এবং দূষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি নতুন চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে ফারাক্কা ব্যারাজের দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত প্রভাবও নতুন করে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। গত কয়েক দশকের বিভিন্ন গবেষণায় নদীর পলি পরিবহন, তীরভাঙন এবং প্রবাহের পরিবর্তনের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান বাস্তবতায় আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। কোনো অবকাঠামো স্থায়ী নয়; সময়ের সঙ্গে তার পরিচালন পদ্ধতিও পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। আরও একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন চুক্তিকে ৩০ বছরের জন্য অপরিবর্তনীয় রেখে দেওয়ার পরিবর্তে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পর্যালোচনার ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতি পাঁচ বছর পরপর নদীর প্রবাহ, জলবায়ু পরিস্থিতি, পরিবেশগত পরিবর্তন এবং নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে চুক্তির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হলে তা সময়োপযোগী থাকবে এবং ভবিষ্যতের সংকট মোকাবিলাও সহজ হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গঙ্গা কেবল একটি নদী নয়; এটি কোটি মানুষের জীবন, কৃষি, খাদ্যনিরাপত্তা, পরিবেশ, অর্থনীতি এবং সংস্কৃতির ধারক। তাই এই নদীকে নিয়ে প্রতিযোগিতার পরিবর্তে সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। বর্তমান সময়ে যখন দুই দেশের মধ্যে আবারও সংলাপের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, তখন গঙ্গা চুক্তির নবায়ন সেই আস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও হতে পারে।

এখানে আরেকটি বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভারতকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র বিতর্ক রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর বক্তব্যে প্রায়ই ভারতবিরোধী অবস্থান গুরুত্ব পায়। অনেক সময় বাস্তব সমস্যার পাশাপাশি আবেগ ও রাজনৈতিক কৌশলও এই বিতর্ককে আরও তীব্র করে তোলে। বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক শক্তির মধ্যেও ভারতের বিভিন্ন নীতি ও কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনামূলক অবস্থান লক্ষ করা যায়। ফলে গঙ্গাচুক্তির মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে আলোচনা শুধু কূটনৈতিক নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিবেচনারও অংশ হয়ে ওঠে।

তবে ভূগোলের একটি নির্মোহ সত্য হলো, প্রতিবেশী রাষ্ট্র পরিবর্তন করা যায় না। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ইতিহাস, ভূগোল, অর্থনীতি, নদী, সংস্কৃতি এবং নিরাপত্তার মতো বহু স্বার্থ পরস্পরের সঙ্গে জড়িত। ভারতের সঙ্গে মতপার্থক্য থাকতে পারে, স্বার্থের সংঘাতও থাকতে পারে; কিন্তু স্থায়ী বৈরিতা কোনো দেশের জন্যই লাভজনক নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের জন্য ভারতের বাজার, স্থলপথ, জ্বালানি সহযোগিতা, আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং তুলনামূলক কম খরচে বিভিন্ন পণ্য আমদানির সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা। ফলে আবেগের পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পর্ক পরিচালনা করাই হবে বিচক্ষণতার পরিচয়।

এই প্রেক্ষাপটে গঙ্গাচুক্তির নবায়ন শুধু একটি পানিবণ্টন চুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে না; বরং দুই দেশ পারস্পরিক আস্থা ও বাস্তববাদী কূটনীতির পথে কতটা এগোতে পারছে, তারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে উঠবে। বর্তমান সরকার এই বাস্তবতাকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

গঙ্গার নতুন চুক্তি যদি কেবল পানির অঙ্কে সীমাবদ্ধ না থেকে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য বিনিময় এবং যৌথ নদী ব্যবস্থাপনার একটি আধুনিক কাঠামো তৈরি করতে পারে, তাহলে সেটি শুধু বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে।

শেষ পর্যন্ত একটি সত্য অস্বীকার করার উপায় নেই- নদীকে বাঁচিয়ে রাখলে তবেই নদী দুই দেশকে বাঁচিয়ে রাখবে। গঙ্গার ভবিষ্যৎ তাই কেবল কূটনীতির বিষয় নয়; এটি আগামী প্রজন্মের খাদ্য, পরিবেশ ও নিরাপদ ভবিষ্যতের প্রশ্ন।

চিররঞ্জন সরকার : কলাম লেখক

মতামত লেখকের নিজস্ব

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ