টানা সাত দফা কমার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ১৫৭ টাকা। এতে এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা।
আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে।
এর আগে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
তার আগে টানা সাত দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সাত দফায় ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয় ৩৫ হাজার ৫৭৫ টাকা। এমন পতনের পর স্বর্ণের দাম এখন কিছুটা বাড়ল।
এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণে ২ হাজার ১৫৭ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরিস্বর্ণে ২ হাজার ১০০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৩১ টাকা।
এর আগে সবশেষ গতকাল শুক্রবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে টানা ৭ম দফা স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাজুস। সেদিন ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
তবে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।